মিতব্যয়ী বোলিংয়ের রেকর্ড একার করে নিলেন মোস্তাফিজ

By ক্রীড়া প্রতিবেদক
20 July 2025, 15:10 PM
UPDATED 21 July 2025, 00:01 AM

বোলিংবান্ধব উইকেটের সুবিধা কাজে লাগালেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি পেসার মোস্তাফিজুর রহমান। মিরপুরের পিচে মেলে ধরলেন কাটার আর স্লোয়ারের পসরা। গতির তারতম্য দিয়েও বিপাকে ফেললেন পাকিস্তানের ব্যাটারদের। সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সবচেয়ে মিতব্যয়ী বোলিংয়ের রেকর্ড গড়লেন তিনি।

রোববার শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে তিন ম্যাচ সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বল হাতে ভীষণ আঁটসাঁট ছিলেন মোস্তাফিজ। ৪ ওভারে স্রেফ ৬ রান খরচায় তিনি শিকার করেন ২ উইকেট। ডট বল খেলান ১৮টি। বাকি ছয়টি ডেলিভারিতে আসে সিঙ্গেল। তার বলে কোনো চার কিংবা ছক্কা মারতে পারেনি প্রতিপক্ষ।

আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে বোলিংয়ে ৪ ওভারের কোটা পূর্ণ করে বাংলাদেশের কোনো বোলারের সবচেয়ে কম রান দেওয়ার রেকর্ড এখন মোস্তাফিজের একার। আগের কীর্তিতেও ছিল তার নাম— রিশাদ হোসেন ও তানজিম হাসান সাকিবের সঙ্গে।

গত বছরের জুনে কিংস্টাউনে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নেপালের বিপক্ষে ৪ ওভারে একটি মেডেনসহ ৭ রানে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন মোস্তাফিজ। একই ম্যাচে ৪ ওভারে দুটি মেডেনসহ ৭ রানে ৪ উইকেট পেয়েছিলেন ডানহাতি পেসার তানজিম। এর আগের মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে প্রেইরি ভিউতে ৪ ওভারে একটি মেডেনসহ ৭ রানে ১ উইকেট শিকার করেছিলেন লেগ স্পিনার রিশাদ।

বাংলাদেশের হয়ে ১১০ ম্যাচের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এই নিয়ে চারবার পূর্ণ কোটা বোলিং করে ১০ রানের কম দিলেন মোস্তাফিজ। অন্য দুটি ম্যাচ ছিল ২০২১ সালের আগস্টে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মিরপুরেই। একটিতে ৪ ওভারে ৯ রান খরচায় উইকেটশূন্য ছিলেন তিনি। আরেকটিতে ৪ ওভারে একটি মেডেনসহ ৯ রানে নিয়েছিলেন ২ উইকেট।

এদিন মোস্তাফিজ আক্রমণে যান ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে। মাত্র ১ রান দিয়ে শিকার করেন হাসান নওয়াজের উইকেট। আবার তাকে আক্রমণে আনা হয় দ্বাদশ ওভারে। ওই ওভারে তার খরচা ২ রান। ফখর জামান হয়ে যান রানআউট।

তৃতীয় স্পেলে মোস্তাফিজ বোলিংয়ে যান ১৭তম ওভারে। ২ রানের বিনিময়ে খুশদিল শাহকে সাজঘরে পাঠান। আর ইনিংসের ১৯তম ও নিজের শেষ ওভারে উইকেট না পেলেও খরচ করেন কেবল ১ রান।

মোস্তাফিজের রেকর্ডের ম্যাচে পাকিস্তান টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৩ ওভারে গুটিয়ে গেছে ১১০ রানে। টি-টোয়েন্টিতে দুই দলের ২৩ বারের দেখায় এই প্রথম বাংলাদেশের বিপক্ষে অলআউট হলো দলটি। তাদের মাত্র তিন ব্যাটার পৌঁছান দুই অঙ্কের ঘরে। দুবার জীবন পাওয়া ওপেনার ফখর করেন সর্বোচ্চ ৩৪ বলে সর্বোচ্চ ৪৪ রান।