নাপা সিরাপ পরীক্ষা করে ক্ষতিকর কিছু পাওয়া যায়নি: ডিজিডিএ

By স্টার অনলাইন রিপোর্ট
14 March 2022, 13:35 PM
UPDATED 14 March 2022, 19:39 PM

নাপা সিরাপ সেবনে দুই শিশুর মৃত্যুর খবরে ওষুধটির তিনটি নমুনা পরীক্ষা করে ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর (ডিজিডিএ) এতে কোনো ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে।

তবে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে দুই সহোদর শিশুর মৃত্যুর কারণ সম্পর্কেও নিশ্চিত হতে পারেনি ডিজিডিএ। বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের নাপা ব্রান্ডের ওষুধটির তিনটি ব্যাচের তিনটি নমুনা পরীক্ষা করলেও যে ওষুধটি নিয়ে অভিযোগ, সেটি পরীক্ষা করতে পারেনি ডিজিডিএ।

ফলে কী কারণে তাদের মৃত্যু হয়েছে সেটি পুলিশের সিআইডির ফরেনসিক প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত জানা যাচ্ছে না বলে জানিয়েছে সরকারি সংস্থাটি। আজ সোমবার বিকেলে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিজিডিএ মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ। 

তিনি বলেন, 'ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় যেখানে শিশু দুটির মারা গেছে সেখান থেকে আমরা তিনটি ব্যাচের মোট আটটি নমুনা সংগ্রহ করেছি। এর মধ্যে তিনটির মান পরীক্ষা করা হয়েছে। যেখানে ক্ষতিকর কিছু পাওয়া যায়নি। গুণগত মান সঠিক পাওয়া গেছে।'

ডিজিডিএ মহাপরিচালক বলেন, ব্যবহৃত ওষুধটি নকল ছিল কিনা তা এখনো আমাদের জানা নেই। শিশু দুটি মারা যাওয়ার পরই ব্যবহৃত ওষুধটি পুলিশের মাধ্যমে সিআইডিতে চলে গেছে। তাদের ফরেনসিক ল্যাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর প্রতিবেদন আসলেই আমরা প্রকৃত কারণ জানতে পারব। সারাদেশ থেকে আমরা একই ব্যাচের ওষুধগুলো সংগ্রহ করার নির্দেশ দিয়েছি। সেগুলোও পরীক্ষা করা হবে।

বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের উৎপাদিত নাপা সিরাপ (প্যারাসিটামল-১২০মি.গ্রা/৫ মি.লি) ব্যাচ নং- ৩২১১৩১২১ ওষুধ সেবন করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে একই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যুর কথা গণমাধ্যমে আসার পর গত শনিবার ওই ব্যাচের ওষুধ পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছিল ডিজিডিএ।

শিশুদের পরিবারের অভিযোগ ছিল, জ্বর আসায় দুই ছেলেকে 'নাপা' সিরাপ খাওয়ানো হয়েছিল। এই ওষুধ খাওয়ানোর পরই ইয়াসিন খান (৭) ও মোরসালিন খান (৫) অসুস্থ হয়ে মারা যায়। ওষুধের মেয়াদ ছিল ২০২৩ সালের নভেম্বর পর্যন্ত।